নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর পয়লা দিনে চাষিদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে তার গাড়িবহর গুলশানের বাসভবন ছেড়ে যায়। পহেলা বৈশাখের দিনে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বিশেষ অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু)।
কৃষক কার্ড বিএনপির উল্লেখযোগ্য নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে একটি। এর আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খালখনন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এরমধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ ছিল। এছাড়া যেসব কৃষকের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ ছিল, আমরা প্রথম একসপ্তাহে তা মওকুফ করেছি। বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ কৃষক এ সুবিধা পেয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে হয়তো মাত্র ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। ইনশাল্লাহ, আগামী ৫ বছরে সরাসরি কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে।
এদিকে, কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা।
শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন।

মাছুদুর রহমান মিলন, টাঙ্গাইলঃ 



















