ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ ত্রিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভোজ্যতেলের দাম এক ফোঁটাও বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

 

বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তেলের দাম একফোঁটাও বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

 

সোমবার (৯ মার্চ) ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কয়েকদিন বাজারে যে সংকট হয়েছে, এর কারণ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করেছে অনেকে। যে কারণে সাময়িকভাবে কিছু জায়গায় সরবরাহের চাপ তৈরি করেছে।

 

তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা লিটারে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশ হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

 

তিনি বলেন, আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য বসেছিলাম। বৈঠকে আমরা জানতে পেরেছি বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কোথাও কোথাও ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার প্রবণতার কারণে সাময়িকভাবে কিছু দোকানে মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে দেখেছি রাস্তার পাশে বড় দোকানগুলোতে ভোজ্যতেল পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত তেল মজুত রেখে প্রতি লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।

 

ভোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে যেহেতু পণ্য আছে, তাই অযথা প্রতিযোগিতা করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাজারে বর্তমানে ১ লাখ ৭০ হাজার টন ভোজ্যতেলের মজুত রয়েছে। আর পাইপলাইনে আছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টন। এ ছাড়া ঋণপত্র (এলসি) খোলার কাজও চলমান।

জনপ্রিয়

উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট

ভোজ্যতেলের দাম এক ফোঁটাও বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

 

বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তেলের দাম একফোঁটাও বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

 

সোমবার (৯ মার্চ) ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কয়েকদিন বাজারে যে সংকট হয়েছে, এর কারণ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করেছে অনেকে। যে কারণে সাময়িকভাবে কিছু জায়গায় সরবরাহের চাপ তৈরি করেছে।

 

তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা লিটারে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশ হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

 

তিনি বলেন, আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য বসেছিলাম। বৈঠকে আমরা জানতে পেরেছি বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কোথাও কোথাও ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার প্রবণতার কারণে সাময়িকভাবে কিছু দোকানে মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে দেখেছি রাস্তার পাশে বড় দোকানগুলোতে ভোজ্যতেল পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত তেল মজুত রেখে প্রতি লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।

 

ভোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে যেহেতু পণ্য আছে, তাই অযথা প্রতিযোগিতা করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাজারে বর্তমানে ১ লাখ ৭০ হাজার টন ভোজ্যতেলের মজুত রয়েছে। আর পাইপলাইনে আছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টন। এ ছাড়া ঋণপত্র (এলসি) খোলার কাজও চলমান।